আজ শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ প্রসঙ্গে জয়সোয়াল; ‘বাংলাদেশের অবস্থানের দিকে নজর রাখছে ভারত’

editor
প্রকাশিত আগস্ট ২৮, ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ণ
‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ প্রসঙ্গে জয়সোয়াল; ‘বাংলাদেশের অবস্থানের দিকে নজর রাখছে ভারত’

Manual5 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

সাম্প্রতিক সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ এবং বাংলাদেশের তাতে যোগদানের বিষয় নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত। এ চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থান জানতে চাইলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ভারতের নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে—এমন সব উন্নয়ন তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

Manual8 Ad Code

শুক্রবার (২৮ আগষ্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির’ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন তোলেন—বাংলাদেশের উপ-পররাষ্ট্রসচিব হুমায়ুন কবিরের পর দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন।

জবাবে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেছেন, বাংলাদেশ যদি ওই চুক্তিতে যোগ দেয়, সেটি বাংলাদেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত এবং এতে অন্য কোনো দেশের অস্বস্তির কারণ হওয়া উচিত নয়। তবে ভারতের নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে—এমন সব উন্নয়ন তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দেশের নিরাপত্তা সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

Manual4 Ad Code

এছাড়া রংপুরে এক শিক্ষক ও তার স্ত্রী-সন্তানদের হত্যা নিয়েও প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক। জবাবে রণধীর বলেন, তিনি বাংলাদেশের হিন্দু সম্পদ্রায়ের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। আর বাংলাদেশের হিন্দুদের নিরাপত্তার দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের।

Manual4 Ad Code

এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যের ব্যাপারে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি কথা বলেন। তিনি জানান, যদি বাংলাদেশ এতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব বা আগ্রহ দেখায় তাহলে তারা এ নিয়ে সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

তিনি বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, “এটি হলো একটি প্রতিরক্ষামূলক কাঠামো। যার লক্ষ্য হলো এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।”

Manual8 Ad Code

তিনি আরও বলেন, “একটি ক্রমবিকাশমান নিরাপত্তা কাঠামো হিসেবে এই চুক্তিতে সেসব দেশ যোগ দিতে পারবে যারা যৌথ দায়িত্ব ও নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতি একই অঙ্গিকার ব্যক্ত করে।”

বাংলাদেশকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যদি কোনো দেশ এতে যুক্ত হতে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয় তাহলে সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে আলোচনা করে তা বিবেচনা করা হবে। তবে চুক্তিটি বর্তমানে একদমই প্রাথমিক অবস্থায় আছে বলে জানান তিনি।